Ray house of 250 years old has become debris

By Staff Reporter – 3rd June, 2017

Ray house, located 7 kilometers east of Chakdaha station in Nadia district of Bengal. Ray house, located in Banmali Para, is a landlord house of 250 years old.

 

Today the house has become almost ruined due to lack of conservation. Zamindar Kedarnath Ray was the founder of Rayabari. Skilled craftsmen, carpenters and workers were brought from Murshidabad to build the house.

It is said that the workers had eaten jack-fruit during constructing the house and from that jack-fruit seed new jack-fruit tree grew up . After eating jack-fruit of that new jack-fruit tree they finished construction of the house. 

They took about 8-9 years to complete the construction of the house. There are 12 small rooms including verandah surrounding the courtyard of landlord’s house. Besides, there were 3 kitchens, cowhouse and a pond with 4 ghat, a ghat was for use by the members of the Ray’s family only and the remaining 3 ghats were open to the public.

Zamindar Kedarnath Ray maintained  the Lathial force used to protect the boundaries of its own territory. While Zamindar Kedarnath Ray was alive, all of them lived in the same house and eat together. But after the death of Kedarnath Ray  though  all his family members were together but the cooking would be different.

Vabendranath Ray was one of the sons of Kedarnath Ray. Vabendranath Ray had five sons. They were Rabindranath , Birendranath , Ahindranath , Bijay and Surendranath.

With the inclusion of Nadia district in East Pakistan in 1947, Pakistani flag was flown in Ray House of Chakdaha but later the flag of Pakistan was taken down due to the inclusion of the entire Nadia district in India.

After the independence of India, the extinction of the zamindari system continued to take place. Government wanted to seize all the land of Ray House, but Rabindranath Ray filed a lawsuit . And in this case, Rabindranath Ray won. With the increase of family members of Kedarnath Ray over time, it is impossible for everyone to live together in this house. Some moved to Calcutta one by one , and others resided in Ranjanpalli of Chakdaha.

Only the Ray house of Chakdaha holds the memory of the past. Now Rabindranath’s son Tarun Ray supervises this house. But how long he can take care of this house  time will tell.

 

ধ্বংস স্তুপে পরিনত হয়েছে  ২৫০ বছরের পুরনো জমিদার বাড়ি

পশ্চিমবঙ্গের অন্তর্গত নদীয়া জেলার চাকদহ স্টেশন থেকে ৭ কিলোমিটার পূর্বে রায় বাড়ি অবস্থিত । বনমালী পাড়ায় অবস্থিত রায় বাড়ি ২৫০ বছরের পুরনো একটি জমিদার বাড়ি । বর্তমানে সংরক্ষণের অভাবে বাড়িটি আজ প্রায় ধ্বংসস্তুপে পরিনত হয়েছে ।

জমিদার কেদারনাথ রায় এই রায়বাড়ির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ॥ মুর্শিদাবাদ থেকে দক্ষ কারিগর ,মিস্ত্রি ও শ্রমিক আনা হয়েছিল বাড়িটি নির্মানের জন্য । কথিত আছে যে মিস্ত্রিরা তাদের কাজের ফাকে কাঁঠাল খেয়েছিল আর সেই কাঁঠাল-এর বীজ থেকে যে নতুন গাছ হয় সেই গাছের কাঁঠাল খেয়েই বাড়ি নির্মানের কাজ শেষ করে ।

বাড়ি নির্মানের কাজ শেষ করতে তাদের সময় লেগেছিল প্রায় ৮ -৯ বছর । জমিদার বাড়ির উঠোনটিকে ঘিরে বারান্দসহ ছোট ছোট ১২ টি ঘর আছে । তাছাড়া ৩টি রান্নাঘর , গোয়ালঘর ও একটি পুকুর আছে যার ৪টি ঘাট ছিল , একটি ঘাট শুধুমাত্র রায়পরিবারের সদস্যদের ব্যবহারের জন্য ছিল আর বাকী ৩ টি ঘাট জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ছিল ।

জমিদার কেদারনাথ রায় প্রতিপালন করত লাঠিয়াল বাহিনী নিজের এলাকার সীমানা রক্ষায় ।জমিদার কেদারনাথ রায় জীবিত থাকা অবস্থায় তাদের পরিরের সকলে একসাথে খাওয়া দাওয়া মিলে-মিশে থাকত ।

তবে মৃত্যুর পর তার পরিবারের সকলে একসাথে থাকলেও রান্না হত আলাদা । ভবেন্দ্রনাথ রায় ছিলেন কেদারনাথ রায়ের পুত্রদের মধ্যে একজন ।ভবেন্দ্রনাথ রায়ের প্রথম পুত্র ছিলেন রবীন্দ্রনাথ রায় , দ্বিতীয় পুত্র বীরেন্দ্রনাথ , তৃতীয় পুত্র অহিন্দ্রনাথ , চতুর্থ পুত্র বিযয় ও পঞ্চম পুত্র ছিলেন সুরেন্দ্রনাথ রায় । ১৯৪৭ সালে ১৫-ই আগষ্ট নদীয়া জেলা পূর্ব-পাকিস্তানের অন্তর্ভূক্তি হওয়ার সাথে এই রায় বাড়িতে উত্তেলিত হয়েছিল পাকিস্তানের পতাকা , তবে পরবর্তীকালে সমগ্র নদীয়া জেলা ভারতের অন্তর্ভূক্ত হওয়ায় পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে নেওয়া হয় ।

ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে জমিদারি প্রথার অবলুপ্তি ঘটতে থাকে । রায় বাড়ির সমস্ত জমি সরকার বাজেয়াপ্ত করে নিতে চেয়েছিল তবে রবীন্দ্রনাথ রায় এর বিরোধীতা করে মামলা করেছিলেন  এবং এই মামলায় রবীন্দ্রনাথ রায় জিতে যান । সময়ের সাথে সাথে কেদারনাথ রায়ের পরিবারের সদস্যসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই বাড়িতে সকলের পক্ষে একসাথে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ে ।

একে একে পরিবারের কেউ কেউ কোলকাতায় চলে যান , আবার কেউ চাকদহের রঞ্জনপল্লীতে বসবাস শুরু করেন । শুধু রায় বাড়ি পড়ে থাকে অতীতের স্মৃতি আকড়ে ধরে ।বর্তমানে রবীন্দ্রনাথ-এর ছেলে তরুন রায় এই বাড়ি দেখাশোনা করেন । তবে আর কতদিন তিনি এই বাড়ি দেখাশোনা করতে পারবেন সেটা সময় বলে দেবে ।

More Related News From Chakdaha 24x7