চাকদহ ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণ ‘চাকদহ কলেজ’

By Pranayita Mondal – 9th July, 2017

চাকদহ এলাকার জনৈক্য ব্যক্তি কলেজটির জন্য জমি দান করেন। উচ্চ শিক্ষার প্রসারের উদ্দেশ্যে চাকদহ হাসপাতালের নিকটবর্তী রবীন্দ্রনগর অঞ্চলে প্রায় ৯ বিঘা জমির ওপর কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে গড়ে তোলা এই মহাবিদ্যালয়টির অভিষেক ঘটে ১৯৭২ সালের ২১ শে নভেম্বর ।

বিধানসভার ডেপুটি স্পীকার বর্তমানে প্রয়াত হরিদাস মিত্র মহাশয় ও স্থানীয় বিধায়ক উদ্বোধক হিসেবে নজির গড়েন । সেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেই মহাবিদ্যালয়ের নামকরণ হয় । কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে গড়ে ওঠা প্রথম কলেজদ্বয়ের মধ্যে অন্যতম ‘চাকদহ কলেজ’ এবং অপরটি ‘কাঁচরাপাড়া কলেজ’।

এই মহাবিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোক্তরা হলেন স্থানীয় বিধায়ক হরিদাস মিত্র, অধ্যাপক কনক মৈত্র ও যোদেন সরকার। তবে এলাকার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও শিক্ষানুরাগীদের সহযোগীতা ও অনুপ্রেরণা অস্বীকার করা অনুচিৎ । কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য বাসুদেব বর্মন মহাশয়ের উদ্যেগে এই কলেজে বিজ্ঞান বিভাগ খোলা হয় ।

অধ্যাপক কনক মৈত্র বরাবরই এখানকার অধ্যক্ষের আসনে বিরাজমান । ২০০১ সালে তিনি অবসর নেন । তাঁর এবং তাঁর মতো ব্যক্তির ঐকান্তিক প্রচেষ্টাই এই মহাবিদ্যালয়ের সুনামের অন্যতম কারণ। এর পার্শ্ববর্তী এলাকাও পঠন পাঠনের অনূকুল।এই কলেজে প্রাতঃ ও দিবাকালীন পঠনের ব্যবস্থা আছে ।

এখান চর্চিত বিষয়গুলি হল বাংলা, ইংরেজী, অঙ্ক, রাষ্ট্রবিঞ্জান, ইতিহাস, পদার্থবিদ্যা, রসায়নবিদ্যা, প্রাণীবিদ্যা, বাণিজ্য, অর্থনীতি ও হিসাবশাস্ত্র । এছাড়াও এখানে কলা, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য নামাঙ্কিত সাধারণ বিষয়গুলিও পঠিত হয়।

বর্তমানে শিক্ষার্থীসংখ্যা ৫০০০ ছাপিয়ে গেছে। অধ্যাপক অধ্যাপিকার সংখ্যা ১০০ । খন্ডকালীন অধ্যাপক অধ্যাপিকাও রয়েছেন । দিবা ও প্রাতঃকালীন বিভাগে রয়েছেন যথাক্রমে ৩৫ ও ৩৩ জন অধ্যাপক ও অধ্যাপিকা । ২০১৭ সালে NAAC প্রদর্শন হয় এবং মহাবিদ্যালয়ে প্রথম হয়।

এমনকি NSS এর ব্যবস্থা আছে ও ক্যাম্প করানো হয়। ইউনিয়নের ব্যবহার ও উপদেশ অতুলনীয়। মহাবিদ্যালয় এলাকায় কোনোরকম অতৃপ্তিকর কর্মকান্ড সংঘটিত হয়না । আলোচনার ভেলায় ভেসে এমত পোষন করলে দ্বিমত হওয়া যায়না যে কলেজটি সর্বগুণসম্পন্ন ।


More Updated News From Chakdaha 24x7